পুঁজিবাজার উৎপাদনশীল খাত: বাংলাদেশ ব্যাংক
ঢাকা, জানুয়ারি ২৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুঁজিবাজারকে উৎপাদনশীল খাত হিসেবে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি ঋণের রাশ টেনে ধরার ক্ষেত্রে একে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ খাতের আওতায় ফেলছে না তারা।
বৃহস্পতিবার ২০১২ সালের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় একথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক আল্লাহ মালিক কাজেমি।
মুদ্রানীতিতে গভর্নর ঘোষণা করেন, “বেসরকারি খাতে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে ঋণ যোগান পর্যাপ্ত রাখার লক্ষ্যে অন্যান্য ব্যবস্থার পাশাপাশি ভোক্তা ঋণসহ অনুৎপাদনশীল খাতগুলোয় ঋণ প্রবৃদ্ধি নিরুৎসাহিত করা হবে।”
এক প্রশ্নের জবাবে আতিউর রহমান বলেন, “অনুৎপাদনশীল খাতে ঝুঁকি আছে, তাই উৎপাদনশীলতাকে উৎসাহিত করা হবে।”
তখন এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন- পুঁজিবাজারকে আপনারা অনুৎপাদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ খাতের আওতায় ফেলছেন কি না?
গভর্নরের পক্ষে এ প্রশ্নের উত্তরে তার পরামর্শক কাজেমি বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ খাত বলতে আমরা শেয়ারবাজারকে বোঝাচ্ছি না।”
পরে সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি আরো পরিষ্কার করতে গিয়ে আল্লাহ মালিক কাজেমি বলেন, “সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্বশীলভাবে বিনিয়োগ করলে শেয়ারবাজারে ঝুঁকি কমে যায়। শেয়ারবাজার থেকে আয় জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) যায়। এছাড়া কোম্পানিগুলো এখান থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উৎপাদন বাড়ায়। তাই এ খাতকে আমি উৎপাদনশীল খাত বলেই মনে করি।”
তবে ‘উৎপাদনশীল খাতেও ঝুঁকি আছে’ বলে মন্তব্য করেন কাজেমি।
গত একবছরেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা চলছে দেশের দুই পুঁজিবাজারে। পাশাপাশি চলছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ।
পুঁজিবাজার ফুলে-ফেঁপে ওঠা এবং ব্যাপক দরপতনের জন্য বিনিয়োগকারীরা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন নীতি ও নীতি প্রয়োগ না হওয়াকে দায়ী করে আসছেন।
বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেও বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ করে।
গত নভেম্বর স্থিতিশীলতার জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার পর ডিসেম্বর ‘কিছুটা’ স্থিতিশীলতা দেখা যায় পুঁজিবাজারে। কিন্তু জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহ থেকে আবার অস্থিরতা শুরু হয়েছে।
গত তিন সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে প্রায় ১ হাজার পয়েন্টের মতো।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
বৃহস্পতিবার ২০১২ সালের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় একথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক আল্লাহ মালিক কাজেমি।
মুদ্রানীতিতে গভর্নর ঘোষণা করেন, “বেসরকারি খাতে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে ঋণ যোগান পর্যাপ্ত রাখার লক্ষ্যে অন্যান্য ব্যবস্থার পাশাপাশি ভোক্তা ঋণসহ অনুৎপাদনশীল খাতগুলোয় ঋণ প্রবৃদ্ধি নিরুৎসাহিত করা হবে।”
এক প্রশ্নের জবাবে আতিউর রহমান বলেন, “অনুৎপাদনশীল খাতে ঝুঁকি আছে, তাই উৎপাদনশীলতাকে উৎসাহিত করা হবে।”
তখন এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন- পুঁজিবাজারকে আপনারা অনুৎপাদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ খাতের আওতায় ফেলছেন কি না?
গভর্নরের পক্ষে এ প্রশ্নের উত্তরে তার পরামর্শক কাজেমি বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ খাত বলতে আমরা শেয়ারবাজারকে বোঝাচ্ছি না।”
পরে সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি আরো পরিষ্কার করতে গিয়ে আল্লাহ মালিক কাজেমি বলেন, “সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্বশীলভাবে বিনিয়োগ করলে শেয়ারবাজারে ঝুঁকি কমে যায়। শেয়ারবাজার থেকে আয় জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) যায়। এছাড়া কোম্পানিগুলো এখান থেকে অর্থ সংগ্রহ করে উৎপাদন বাড়ায়। তাই এ খাতকে আমি উৎপাদনশীল খাত বলেই মনে করি।”
তবে ‘উৎপাদনশীল খাতেও ঝুঁকি আছে’ বলে মন্তব্য করেন কাজেমি।
গত একবছরেরও বেশি সময় ধরে অস্থিরতা চলছে দেশের দুই পুঁজিবাজারে। পাশাপাশি চলছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ।
পুঁজিবাজার ফুলে-ফেঁপে ওঠা এবং ব্যাপক দরপতনের জন্য বিনিয়োগকারীরা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন নীতি ও নীতি প্রয়োগ না হওয়াকে দায়ী করে আসছেন।
বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেও বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভ করে।
গত নভেম্বর স্থিতিশীলতার জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার পর ডিসেম্বর ‘কিছুটা’ স্থিতিশীলতা দেখা যায় পুঁজিবাজারে। কিন্তু জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহ থেকে আবার অস্থিরতা শুরু হয়েছে।
গত তিন সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে প্রায় ১ হাজার পয়েন্টের মতো।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
0 comments:
Post a Comment